কোন শব্দটি অপত্নীবাচক?

Updated: 1 year ago
  • মাতা
  • দাদি
  • চাচি
  • শিক্ষিকা
5.2k
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে স্ত্রীলিঙ্গ পদগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: পত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ এবং অপত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ।

        
  •         পত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ (Patnivachak Strilinga): যেসব স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ কোনো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রী বা পত্নী পরিচয় নির্দেশ করে, তাদের পত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ বলে। যেমন: স্বামী-পত্নী, রাজা-রানী, চাচা-চাচি, মামা-মামি, সাহেব-মেম ইত্যাদি।     
  •     
  •         অপত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ (Apotnivachak Strilinga): যেসব স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ কোনো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রী বা পত্নী না বুঝিয়ে সরাসরি কোনো স্ত্রীসত্তা, বৈশিষ্ট্য, পদমর্যাদা বা বৃত্তি নির্দেশ করে, তাদের অপত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ বলে। যেমন: পিতা-মাতা, ভাই-বোন, যুবক-যুবতী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গায়ক-গায়িকা, ছাত্র-ছাত্রী, বিদুষী, কন্যা ইত্যাদি।     

প্রদত্ত অপশনগুলো উপরোক্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:

        
  •         ১. মাতা: এটি সরাসরি 'মা' সত্তাকে বোঝায় এবং এটি অপত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ। (উদাহরণ: পিতা-মাতা)।     
  •     
  •         ২. দাদি: এটি সরাসরি 'দাদা'-এর পত্নী না বুঝিয়ে সম্পর্কের দিক থেকে একটি স্ত্রীসত্তা বোঝায় এবং এটিও অপত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ হিসেবে গণ্য। (উদাহরণ: দাদা-দাদি)।     
  •     
  •         ৩. চাচি: এটি 'চাচা'-এর পত্নী বা স্ত্রীকে বোঝায়, তাই এটি পত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ।     
  •     
  •         ৪. শিক্ষিকা: এটি 'শিক্ষক' (পুরুষ শিক্ষক)-এর পত্নী না বুঝিয়ে সরাসরি একজন নারী শিক্ষকের পদমর্যাদা বা বৃত্তি বোঝায়, তাই এটি অপত্নীবাচক স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ। (উদাহরণ: শিক্ষক-শিক্ষিকা)।     

উপরিউক্ত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, 'মাতা', 'দাদি' এবং 'শিক্ষিকা' — এই তিনটি অপশনই 'অপত্নীবাচক' স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের উদাহরণ। যেহেতু একটি বহুনির্বাচনী প্রশ্নে সাধারণত একটিই সঠিক উত্তর থাকে, সেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নটিতে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন।

প্রদত্ত শর্ত বা তথ্য অনুযায়ী এখানে একাধিক অপশন (মাতা, দাদি, শিক্ষিকা) সঠিক।

Satt AI
Satt AI
4 days ago

বাংলা ভাষায় বহু বিশেষ্য শব্দ ও কিছু বিশেষণ শব্দ রয়েছে যা নরবাচক অথবা নারীবাচক বলে ধরা হয়। আবার এমন কিছু বিশেষ্য-বিশেষণ শব্দ রয়েছে যা দিয়ে নর বা নারী উভয়কে বোঝায়। বিশেষ্য ও বিশেষণের এই নর-নারীভেদের নাম লিঙ্গ। ব্যাকরণে শব্দের নর ও নারীবাচকতাকে সংক্ষেপে 'পুং' ও 'স্ত্রী' দিয়ে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। নরবাচক শব্দ পুংলিঙ্গ, যথা: পিতা, পুত্র ইত্যাদি। নারীবাচক শব্দ স্ত্রীলিঙ্গ, যথা: মাতা, কন্যা ইত্যাদি। নরবাচক ও নারীবাচক উভয়কে বোঝায় এমন সজীব বিশেষ্য শব্দকে উভলিঙ্গ বলে, যথা: সন্তান, মন্ত্রী ইত্যাদি। আবার নরবাচক বা নারীবাচক কোনোটাকেই বোঝায় না এমন অজীব বিশেষ্য শব্দকে ক্লীবলিঙ্গ বলে, যথা: ঘর, গাড়ি, টেবিল ইত্যাদি।

সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের: পত্নীবাচক এবং অপত্নীবাচক। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়। যেমন- পিতা-মাতা, চাচা-চাচি, দাদা-দাদি, জেলে-জেলেনি, গুরু-গুরুপত্নী ইত্যাদি। অন্যদিকে স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়। যেমন খোকা-খুকি, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, নেতা-নেত্রী, পাগল-পাগলি।

কিছু শব্দ রয়েছে যা নিত্য নরবাচক ও নিত্য নারীবাচক। নিত্য নরবাচকের উদাহরণ: কৃতদার, অকৃতদার। নিত্য নারীবাচকের উদাহরণ: সতীন, বিধবা।

নরবাচক শব্দ থেকে নারীবাচক শব্দগঠন

প্রত্যয় যোগে

নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তন করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়। এ রকম কয়েকটি প্রত্যয়ের প্রয়োগ দেখানো হলো:

-আ প্রত্যয়: বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, প্রিয়-প্রিয়া, কনিষ্ঠ-কনিষ্ঠা। 

-ই প্রত্যয়: দাদা-দাদি, জেঠা-জেঠি, পাগল-পাগলি। 

-ইনি প্রত্যয়: কাঙাল-কাঙালিনি, বাঘ-বাঘিনি। 

-ইনী প্রত্যয়: বিজয়ী-বিজয়িনী, যোগী-যোগিনী, তেজস্বী-তেজস্বিনী। 

-ঈ প্রত্যয়: কিশোর-কিশোরী, নর-নারী, সুন্দর-সুন্দরী। 

-নি প্রত্যয়: জেলে-জেলেনি, বেদে-বেদেনি, ধোপা-ধোপানি। 

-বতী প্রত্যয়: গুণবান-গুণবতী, পুণ্যবান-পুণ্যবতী। 

-মতী প্রত্যয়: বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী, শ্রীমান-শ্রীমতী।

এছাড়া '-অক' প্রত্যয় দিয়ে গঠিত নরবাচক শব্দকে নারীবাচক করার সময়ে 'অক'-এর জায়গায় '-ইকা' হয়। যেমন- পাঠক-পাঠিকা, লেখক-লেখিকা, গায়ক-গায়িকা।

নারী-নির্দেশক শব্দ যোগে

কিছু ক্ষেত্রে নারী-নির্দেশক শব্দ যোগ করে নারীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়।

যেমন- লোক-স্ত্রীলোক, শ্রমিক-নারী শ্রমিক, ছেলে-ছেলে বউ।

কিছু ক্ষেত্রে নর-নির্দেশক শব্দের বদলে নারী-নির্দেশক শব্দ যোগ করে নারীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়।

যেমন- মদ্দা বিড়াল মাদি বিড়াল, ভাইপো - ভাইঝি।

স্বতন্ত্র শব্দে

কিছু নারীবাচক শব্দের সঙ্গে নরবাচক শব্দের গঠনগত মিল থাকে না।

যেমন- ভাই-বোন, পিতা-মাতা, ছেলে-মেয়ে, বর-কনে, বাদশা-বেগম।

বাংলা ভাষায় প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদাকে নারীবাচক করা হয় না। যেমন। -

নার্গিস আখতার একজন সহকারী শিক্ষক

নমিতা রায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতি

Related Question

View All
Updated: 11 months ago
  • কৃতদায়
  • শিক্ষিকা
  • বিধবা
  • জেঠি
260
Updated: 11 months ago
  • ছেলে
  • নেতা
  • জেলে
  • কৃতদার
225
Updated: 1 year ago
  • গুরু
  • শিক্ষক
  • কৃতদার
  • বিজয়ী
468
Updated: 1 year ago
  • ধোপানি
  • শ্রীমতী
  • বিধবা
  • যোগিনী
213
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই